সাবেক বিচারপতি জয়নুলকে দেয়া চিঠির বৈধতা পর্যবেক্ষণসহ নিষ্পত্তি

মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৭ (১৮:৫৯)
সাবেক-বিচারপতি-জয়নুলকে-দেয়া-চিঠির-বৈধতার-পর্যবেক্ষণসহ-নিষ্পত্তি

হাইকোর্ট

দুর্নীতির অনুসন্ধান বন্ধে আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মো. জয়নুল আবেদীনের দুদকে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের দেয়া চিঠির বৈধতা পর্যবেক্ষণসহ নিষ্পত্তি করে দিয়েছে হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করা হয়েছে।

রায়ে বলা হয়, বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের বিষয়ে আপিল বিভাগের প্রশাসনিক ক্ষমতাবলে দেওয়া চিঠিটি নিছক দাপ্তরিক যোগাযোগ বলে তা সুপ্রিম কোর্টের মতামত বলে বিবেচিত হতে পারে না। এটিসহ সাত দফা পর্যবেক্ষণ দিয়ে চিঠির বৈধতা প্রশ্নে রুল নিষ্পত্তি করে দিয়েছে হাইকোর্ট।

পর্যবেক্ষণে আদালত জানিয়ছে, ওই চিঠির মাধ্যমে একটি বার্তা দেয়া হয়েছে যে আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ফৌজদারি কার্যক্রম থেকে দায়মুক্তি পেতে পারেন। কিন্তু একমাত্র রাষ্ট্রপতি ছাড়া কেউ এ ধরনের দায়মুক্তি পেতে পারেন না তাও রাষ্ট্রপতির দায়িত্বকালীন সময়ে।

পর্যবেক্ষণে আরও বলা হয়, বিচারপতি জয়নুল আবেদীন সম্পর্কে দুদকের অনুসন্ধানপ্রক্রিয়া আদৌ সন্তোষজনক নয়। সাধারণ কারণ, দীর্ঘ সাত বছরেও ওই প্রক্রিয়া শেষ হয়নি। কোনো অবসরপ্রাপ্ত বিচারকের বিরুদ্ধে তদন্ত বা অনুসন্ধান পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ বা এজেন্সির বাড়তি সতর্কতা ও তদারকি থাকা উচিত। এটি বিবেচনায় নেয়া উচিত এর সঙ্গে বিচার বিভাগের মর্যাদার পাশাপাশি বিচারের মান, জনগণের আস্থা এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হন সেটি জড়িত থাকে।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের সম্পদের হিসাব চেয়ে ২০১০ সালে নোটিশ পাঠায় দুদক। দুদক সূত্র জানায়, জয়নুল আবেদীনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের একটি অভিযোগের প্রাথমিক তদন্তে আয়ের সঙ্গে অর্জিত সম্পদ সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে।

গতকাল এ দুই বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ দিন নির্ধারণ করে।

এর আগে গত ৩১ অক্টোবর এ বিষয়ে জারি করা রুলের শুনানি শেষে মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়।

ওই দিন আদালতে শুনানি করেন হাইকোর্ট নিযুক্ত অ্যামিকাস কিউরি (আদালতের বন্ধু) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদীন এবং বিচারপতি জয়নুলের পক্ষে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন।

দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ খুরশীদ আলম খান। এর আগে শুনানি করেন অপর দুই অ্যামিকাস কিউরি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী ও এএম আমিন উদ্দিন।

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্য নির্মাণ- জাদুঘর স্থাপন চেয়ে রিট

সোনালী ব্যাংকের আবেদন খারিজ, নিয়োগ স্থগিতের আদেশ বহাল

মৌলভীবাজারের ৫ আসামির রায় যে কোনো দিন

মামলা দেয়া হয়েছে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে: খালেদা জিয়া

রংপুরে তাণ্ডব: অভিযুক্ত টিটু রায় ৪ দিনের রিমান্ডে

ফরহাদের বিরুদ্ধে মামলার অনুমতি চায় ডিবি